বুধবার , ১৯ আগস্ট ২০২৬ |
  1. খেলা
  2. চাকরি
  3. জীবনযাপন
  4. বাণিজ্য
  5. বাংলাদেশ
  6. বিনোদন
  7. বিশ্ব
  8. মতামত
  9. রাজনীতি

‘মৃত্যুকে কাছে থেকে দেখেছি’—কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশির লেখা

প্রতিবেদক
shamiul
আগস্ট ১৯, ২০২৬ ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ

হোটেল থেকে বের হয়ে আসার পর ফায়ার সার্ভিসের গাড়ির সামনে লেখক

হোটেল থেকে বের হয়ে আসার পর ফায়ার সার্ভিসের গাড়ির সামনে লেখকছবি: ফেসবুক থেকে

আপনার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন যারা কলকাতা ভ্রমণে এসেছে বা ডাক্তার দেখাতে কলকাতা এসেছে তাদের খোঁজ নিন। গতকাল (১৯ আগস্ট) রাত ২টায় মির্জা গালিব স্ট্রিট, নিউমার্কেট এলাকায় ফায়ার ব্রিগেডের পাশের বিল্ডিং–এ আগুন লাগে।

উল্লেখ্য, এই বিল্ডিংসহ আশেপাশে এলাকা বাংলাদেশ অধ্যুষিত (বাংলাদেশিরা কলকাতায় এলে সাধারণত এই এলাকায় বেশি থাকেন) । রাত ২টায় আগুন লাগে লবিতে ২য় ফ্লোরে। আমরা থার্ড ফ্লোরে ছিলাম। আমি, বাবা, মা ও পাশের রুমের কাপল ও তাঁদের বাচ্চা ও একটা ভাইয়া সবাই বাংলাদেশি আটকে গিয়েছিলাম।

সিঁড়িতেও আগুনের প্রচন্ড ধোঁয়া থাকায় আমরা কোনভাবে ছাদে যেতে বা নিচে নামতে পারছিলাম না। কোনমতে বাথরুমের জানালা (ভেন্টিলেটর) খুলে ফায়ার সার্ভিসে কল দিয়ে জানাই যে আমরা চারতলায় আটকে আছি, আমাদের বাঁচান। নিশ্বাস নিতে পারছি না।

আরও পড়ুন

রোনালদোর নতুন বাড়িটি কি পর্তুগালের সবচেয়ে দামি

ভবনের সামনে আগুন নেভানো ও উদ্ধারকাজ করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা

ভবনের সামনে আগুন নেভানো ও উদ্ধারকাজ করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাছবি: ফেসবুক থেকে

ইতমধ্যে বিল্ডিং-এর কাচ, এসি ব্লাস্ট করতে থাকে। আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আনার কিছুক্ষন আগে ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা আমাদের উদ্ধার করে নিচে নামাতে সক্ষম হয়। মৃত্যুকে খুব কাছে থেকে দেখেছি। যত দূর জানি আমার চোখের সামনে ৩টি অ্যাম্বুলেন্সে মৃত/আহত দেহ নিয়ে গেছে। এখন বিল্ডিং–এ কাউকে ঢুকতে দিচ্ছে না। কোন হোটেলে কেউ জায়গা দিচ্ছে না। সারা রাত বাইরে থেকে মাত্র (সকালে) অন্য একটি হোটেলে উঠলাম।

তবে অনেক মানুষ মারা গেছে। এর মাঝে পুরুষ, নারী, শিশুও আছে। অধিকাংশই বাংলাদেশী হতে পারে (বা ইন্ডিয়ান), এটা আমরা জানতে পারি নাই। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সাহায্যে আমার জিনিসপত্র একটু আগে বের করে এনে অন্য হোটেলে উঠেছি। সবাই সুস্থ আছি শারীরিকভাবে। ভগবানের অশেষ কৃপায় এ যাত্রায় বেঁচে গেছি।

বাথরুমে থাকা প্রতি ন্যানো সেকেন্ডে মনে হচ্ছিল আমরা আর বাঁচব না। সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে চিকিৎসা করাতে এসে যেন মরতে এসেছি।

সিঁড়ি ও লিফটে যেমন আগুনের স্ফুলিঙ্গ দেখেছি, তা মৃত্যুকে খুব কাছে থেকে দেখার চেয়ে কম কিছু না। সবাই সুস্থ থাকুন। প্রতিটা শহর ঢাকা, কলকাতা-যেন একটা মরণ বোমা। কোথাও যেন অগ্নিনির্বাপক কোন ব্যবস্থা নাই। ব্যবসায়ীরা শুধু টাকা কামিয়েই যাবে? মানুষ জীবনের মূল্য ঠিক কোথায়? আমাদের অনেকের-ই অনেকের সঙ্গে শেষ দেখা হয়ে গেছে। যে যার সঙ্গে পারেন ভালো ব্যবহার করুন।

সর্বশেষ - চাকরি

আপনার জন্য নির্বাচিত

হকি দলের জার্মানি সফর অনিশ্চিত, বিকল্প ভাবনায় চীন-মিশর

‘মৃত্যুকে কাছে থেকে দেখেছি’—কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশির লেখা

গলে সুতারের ১০ উইকেটে ৬০০ তম টেস্টে জয় পেল ভারত

প্রসঙ্গ প্রথম আলো: মারদিয়া মমতাজের প্রতিক্রিয়া ও লেখকের বক্তব্য

প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানাকে নিয়ে ভাইয়ের নতুন বই, ‘সত্য’ তুলে ধরবেন তিনি

রাষ্ট্রপতি হলেও আমার ইচ্ছে আছে, জনগণের পাশে থেকে সেবা করব: মির্জা ফখরুল

৯০০ কর্মীকে ছাঁটাই করা সিইও এবার নিজের চাকরি ফিরে পেতে লড়ছেন

পশ্চিমবঙ্গে দুই দিনে দুই হোটেলে আগুন, আগের ঘটনায়ও ৮ মৃত্যু

‘আপত্তি’ ওঠার পর কিশোরগঞ্জে কনসার্ট স্থগিত

এর পর থেকে পাকিস্তানের সাংবাদিকেরা মেপে মেপে কথা বলত…