বুধবার , ১৯ আগস্ট ২০২৬ |
  1. খেলা
  2. চাকরি
  3. জীবনযাপন
  4. বাণিজ্য
  5. বাংলাদেশ
  6. বিনোদন
  7. বিশ্ব
  8. মতামত
  9. রাজনীতি

মানিকগঞ্জে তরুণের কাছ থেকে টাকা ছিনতাই, এএসআইকে প্রত্যাহার

প্রতিবেদক
shamiul
আগস্ট ১৯, ২০২৬ ৮:৪৩ পূর্বাহ্ণ

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানা। সম্প্রতি তোলা

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানা। সম্প্রতি তোলাছবি: প্রথম আলো

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানার এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) বিরুদ্ধে তরুণকে থামিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার এএসআই সোহেল রানাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একই ঘটনায় পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত আলমগীর হোসেন (২৮) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার কর্মকারকান্দি বয়ড়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ, ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে বলড়া গ্রামের বাসা থেকে মোটরসাইকেলে করে উপজেলা সদরের দিকে যাচ্ছিলেন তায়েফ হোসেন (২০)। দুপুর ১২টার দিকে বলড়া ইউনিয়নের পিপুলিয়া এলাকায় এএসআই সোহেল রানা ও আলমগীর তাঁর মোটরসাইকেলের গতি রোধ করেন। তাঁরা নিজেদের পুলিশ সদস্য পরিচয় দেন। এরপর মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে তায়েফের কাছে থাকা টাকা ও মুঠোফোন নিয়ে তাঁরা শরীর তল্লাশি করেন।

তায়েফের ভাষ্য, তাঁর কাছে অবৈধ কিছু আছে কি না, তা জানতে চেয়ে তাঁকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর কাপড় খুলে তল্লাশি করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা ও মুঠোফোন নেওয়া হয়। পরে মুঠোফোনটি ফেরত দেওয়া হলেও টাকা নিয়ে এএসআই সোহেল ও আলমগীর ইজিবাইকে করে চলে যান। ঘটনার পর সন্দেহ হলে তায়েফ ও তাঁর বন্ধুরা তাঁদের পিছু নেন।

ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের না জানিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে যাওয়ায় এএসআই সোহেল রানাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। আলমগীরের বিরুদ্ধে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।

মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন, হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

পরে হরুকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এএসআই সোহেল ও আলমগীরকে দেখতে পান। এ সময় এএসআই সোহেল মোটরসাইকেল নিয়ে চলে যান। স্থানীয় লোকজন আলমগীরকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।

আলমগীর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে স্থানীয় লোকজনের কাছে তিনি দাবি করেন, এএসআই সোহেলের নির্দেশে তিনি তায়েফের মোটরসাইকেল থামিয়ে টাকা ও মুঠোফোন নিয়েছিলেন। পরে মুঠোফোন ফেরত দেওয়া হলেও টাকা নিয়ে এএসআই চলে যান।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে এএসআই সোহেল রানার বক্তব্য জানতে আজ বুধবার সকালে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের না জানিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে যাওয়ায় এএসআই সোহেল রানাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। আলমগীরের বিরুদ্ধে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। তবে তাঁকে ১৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ - মতামত

আপনার জন্য নির্বাচিত

হকি দলের জার্মানি সফর অনিশ্চিত, বিকল্প ভাবনায় চীন-মিশর

এর পর থেকে পাকিস্তানের সাংবাদিকেরা মেপে মেপে কথা বলত…

রাষ্ট্রপতি হলেও আমার ইচ্ছে আছে, জনগণের পাশে থেকে সেবা করব: মির্জা ফখরুল

প্রসঙ্গ প্রথম আলো: মারদিয়া মমতাজের প্রতিক্রিয়া ও লেখকের বক্তব্য

থানা থেকে লুট হওয়া পিস্তল কোমরে নিয়ে ঘুরছিলেন, গ্রেপ্তার করল র‌্যাব

গলে সুতারের ১০ উইকেটে ৬০০ তম টেস্টে জয় পেল ভারত

‘মৃত্যুকে কাছে থেকে দেখেছি’—কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশির লেখা

পিএসসির পাঁচ দশক: মেয়াদ পূর্ণ করেছেন মাত্র ৪ চেয়ারম্যান

প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানাকে নিয়ে ভাইয়ের নতুন বই, ‘সত্য’ তুলে ধরবেন তিনি

৯০০ কর্মীকে ছাঁটাই করা সিইও এবার নিজের চাকরি ফিরে পেতে লড়ছেন